ডিএনসিসি নির্বাচন: মোটরসাইকেলে ৩ দিনের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:৪৭ | আপডেট: ০৭ মার্চ ২০১৯, ১২:৫৪

অনলাইন ডেস্ক

আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) উপ-নির্বাচন উপলক্ষে মোটরসাইকেল চলাচলের উপর ৩ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবকে নির্দেশনা পাঠিয়েছেন ইসি উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান।

ডিএনসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম জানান, ডিএনসিসিতে মেয়র পদে উপ-নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে সব ধরনের যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে মোটরসাইকেল বন্ধ থাকবে তিনদিন। আর অন্যান্য যান একদিনের জন্য বন্ধ থাকবে।

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ডিএনসিসি’র মেয়র পদে উপনির্বাচন ও ২০টি ওয়ার্ডের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই ২৬ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) মধ্যরাত ১২টা থেকে ১ মার্চ (শুক্রবার) সকাল ৬টা পর্যন্ত মোট ৫৪ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। আর ২৭ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত, ২৪ ঘণ্টা অন্য সব যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম জানান, ডিএনসিসির মধ্যে মহাসড়ক ছাড়াও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বাইরে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক ও প্রধান প্রধান রাস্তার সংযোগ সড়ক বা ওইরকম রাস্তায় যান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। বিমানবন্দরে বিদেশগামী যাত্রীর গাড়ি এবং বিদেশ থেকে আসা যাত্রী ও তার আত্মীয় স্বজনের চলাচলের জন্য গাড়ির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। এজন্য প্লেনের টিকিট তথা উপযুক্ত প্রমাণ সঙ্গে রাখতে হবে। বিদেশি কূটনৈতিক ও দূতাবাসে কর্মরত দেশি-বিদেশির দূতাবাসে চলাচলের গাড়িও এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

এছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের নির্বাচনী এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক, নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শকের (নির্বাচন কমিশন থেকে পরিচয়পত্র পদর্শন করতে হবে) উপর নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। জরুরি সেবা যেমন-অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক ও টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য যানবাহন চালাচলও এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। এছাড়া জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই নিষেধাজ্ঞা শিথিলের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারবে।