গাইবান্ধা-৩: ভোটগ্রহণ শেষে গণনা চলছে

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, ১৯:৪৩

জাগরণীয়া ডেস্ক

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত হওয়া গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে গণনা চলছে।

১৩২টি কেন্দ্রে ২৭ জানুয়ারি (রবিবার) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে একটানা ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ হয়।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক বলেন, কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে দুপুরে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন জাসদ প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি।

সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর সরকারি কেএম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুমন মিয়া বলেন, এখানে মোট ভোটার তিন হাজার ২৩২ জন। প্রাপ্ত ভোট শতকরা ৬১ ভাগ। নৌকা পেয়েছে ১৭৭৬ ভোট, মশাল ৯০ ভোট ও লাঙল পেয়েছে ৮০ ভোট। 

পীরেরহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বলেন, এ কেন্দ্রের মোট ভোট ৩৭৮৪। প্রাপ্ত ভোট ৭৬ দশমিক শূন্য এক। নৌকা ২৬৩৬ ভোট, লাঙল ১৫৩ ভোট ও মশাল ৭১ ভোট পেয়েছে। 

বড় ছত্রগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রর প্রিজাইডিং কর্মকর্তা শামছুল আলম বলেন, এ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোট ২৫ দশমিক ৮৪। 

এ আসনে নির্বাচনের মাঠে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ইউনুস আলী সরকার, জাতীয় পার্টির (এরশাদ) দিলারা খন্দকার লাঙ্গল, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মিজানুর রহমান তিতু আম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মো. জাহিদ সিংহ প্রতীক নিয়ে ভোট করছেন। জেলা বিএনপির সভাপতি মইনুল হাসান সাদিক পুনঃতফসিলের পর মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও কারচুপি ও অনিয়মের আশঙ্কার কথা বলে গত ১০ জানুয়ারি তা প্রত্যাহার করে নেন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বরই এ আসনের ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রতীক বরাদ্দ হয়ে যাওয়ার পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) নেতা টি আই এম ফজলে রাব্বী চৌধুরীর মৃত্যু হলে গত ২০ ডিসেম্বর এ আসনের ভোট স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। এরপর ২৭ জানুয়ারি নতুন ভোট করে ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে দেন নির্বাচন কমিশন। 

নির্বাচনকে ঘিরে আড়াই হাজার পুলিশ, দেড় হাজার আনসার সদস্য, ২০ প্লাটুন বিজিবি ও ২০ প্লাটুন র‌্যাব সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত